জয়নাল সাহেব দেশের বাইরে থাকা অবস্থায় তার একটি পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করে। তখন পরিবারের সদস্যরা খুশি হয়ে ব্যাপক নাচ-গানের আয়োজন করে এবং তার অনৈসলামিক একটি নাম রাখে। কিছুদিন পর জয়নাল সাহেব দেশে এসে বিষয়টি জানতে পেরে খুব অসন্তুষ্ট হন এবং পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে বলেন- 'তোমরা ইসলামি সংস্কৃতি বর্জন করেছ। মুসলিম সন্তানের জীবন শুরু করতে হয় ইসলামি সংস্কৃতির মাধ্যমে।' 

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইসলাম অনুমোদিত ও কুরআন-হাদিসে নির্দেশিত মুসলমানদের জীবনপদ্ধতিই হলো ইসলামি সংস্কৃতি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলাম শিক্ষা বিশেষ কোনো দেশ, জাতি, অঞ্চল, গোষ্ঠী বা সময়ের জন্য নির্দিষ্ট নয় বলে এটিকে সর্বজনীন বলা হয়। ইসলাম শিক্ষা পৃথিবীর সব মানুষের জন্য উন্মুক্ত। এটি কোনো নির্দিষ্ট জাতি, অঞ্চল বা সময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। যে কেউ এ শিক্ষা অর্জন করে মুসলিম হিসেবে জীবনযাপন করতে পারে। আর এ কারণেই ইসলাম শিক্ষাকে সর্বজনীন বলা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ইসলামি সংস্কৃতি বর্জনের কথা বলে জয়নাল সাহেব সন্তান জন্মের পর তার কানে আজান ও ইকামত না দেওয়া, আকিকা না করা এবং অনৈসলামিক নাম রাখার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জন্মের পর শিশুর ডান কানে আজান ও বাম কানে ইকামত দেওয়া। শিশুর আকিকা করা ও সুন্দর ইসলামি নাম রাখাও ইসলামি সংস্কৃতির বিশেষ দিক। এ প্রসঙ্গে রাসুল (স) বলেন- 'যখন শিশুর জন্ম হয়, তার একটি সুন্দর নাম রাখো' (বায়হাকি)। তিনি আরও বলেন- 'সন্তানের জন্য আকিকা আবশ্যক। সুতরাং তার পক্ষে রক্ত প্রবাহিত করো এবং তার কষ্ট দূর করো' (বুখারি)। সন্তান জন্মের ৭ম, ১৪তম বা ২১তম দিনে আকিকা দেওয়া সুন্নত। জয়নাল সাহেবের সন্তান জন্মগ্রহণের পর তার পরিবারের সদস্যরা ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ এ কাজগুলো সম্পন্ন করেনি। তারা এর পরিবর্তে অনৈসলামিক কাজগুলো করেছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জয়নাল সাহেবের পুত্রসন্তান জন্মগ্রহণ করার পর তার পরিবারের সদস্যরা খুশি হয়ে ব্যাপক নাচ-গানের আয়োজন করে এবং তার অনৈসলামিক একটি নাম রাখে। তাদের এসব কাজ ইসলামি সংস্কৃতির সম্পূর্ণ পরিপন্থি। তাই বলা যায়, ইসলামি সংস্কৃতি বর্জনের কথা বলে জয়নাল সাহেব উল্লিখিত বিষয়গুলোর প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

মুসলিম সন্তানের জীবন শুরু করতে হয় ইসলামি সংস্কৃতির মাধ্যমে- জয়নাল সাহেবের উক্তিটি যথার্থ। মুসলিম সন্তানের জন্ম থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি কাজই ইসলামের আদর্শ ও রীতি অনুযায়ী হতে হবে। ইসলামি সংস্কৃতির রীতি অনুযায়ী কোনো মুসলিম শিশু জন্মগ্রহণ করলে তার ডান কানে আজান ও বাম কানে ইকামত দেওয়া, অর্থবহ সুন্দর নাম রাখা ও আকিকা করতে হয়।

উদ্দীপকে দেখা যায়, জয়নাল সাহেবের সন্তানের জন্মের পর ইসলামি রীতিগুলো অনুসরণ করা হয়নি। নাচ-গানের আয়োজন, অনৈসলামিক নাম রাখা প্রভৃতির মাধ্যমে ইসলামি সংস্কৃতি বর্জন করা হয়েছে। অথচ মুসলিম সন্তানের জন্মের পর ইসলামি রীতিনীতি অনুযায়ী তাকে লালন-পালন করতে হয়। ইসলামের আদর্শ এবং রীতিনীতিকে ঘিরেই এ সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। আর এ সংস্কৃতির চর্চা শুরু হয় জীবনের প্রথম পর্যায় থেকেই এবং । মুসলিমদের পুরো জীবনেই ইসলামি আদর্শ ও মূল্যবোধ অব্যাহত থাকে। মুসলিমের জন্ম-মৃত্যু, লেনদেন, দেখা-সাক্ষাৎ, দৈনন্দিন জীবনের সবক্ষেত্রেই এ সংস্কৃতি বিরাজমান। এমনকি মৃত্যুর পর জানাজা করাও ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, মুসলিম শিশুর জন্মের পর থেকেই ইসলামি সংস্কৃতির অনুসরণ করতে হয়। সন্তানের লালনপালন, বেড়ে ওঠা, চলাফেরা, শিক্ষালাভ সবকিছুই ইসলামের আদর্শ ও মূল্যবোধ অনুযায়ী করতে হয়। তাই জয়নাল সাহেবের উক্তিটিকে যথার্থ বলা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
196
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

কযে শিক্ষাব্যবস্থায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে ইসলাম শিক্ষা বলে। বলে

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
771
উত্তরঃ

ইসলাম শিক্ষা আল্লাহর একত্ববাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় একে তাওহিদভিত্তিক শিক্ষা বলা হয়।

'তাওহিদ' শব্দের অর্থ একত্ববাদ। ইসলাম শিক্ষার মূলকথা হলো- لا اله الا الله অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আল্লাহ তায়ালাকে সৃষ্টিকর্তা, পালনকর্তা, রিজিকদাতা এবং ইবাদত ও আনুগত্যের যোগ্য এক ও অদ্বিতীয় সত্তা হিসেবে মুখে স্বীকার ও অন্তরে বিশ্বাস করার নাম তাওহিদ। পৃথিবীতে যত নবি- রাসুল এসেছেন তাদের প্রত্যেকেই এই তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছেন। তাওহিদে বিশ্বাস ছাড়া কোনো ব্যক্তিই মুমিন বা মুসলমান হতে পারে না। এজন্যই ইসলাম শিক্ষা তাওহিদের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.2k
উত্তরঃ

 ছকে 'ক' দলের আলোচিত বিষয়গুলো ইসলাম শিক্ষার ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক উদ্দেশ্যকে বোঝায়।

ইসলাম শিক্ষায় ইসলামকে একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয়। এ শিক্ষার সাধারণত দুই ধরনের উদ্দেশ্য রয়েছে। যথা- ধর্মীয় ও সামাজিক। ধর্মীয় উদ্দেশ্যগুলো হলো- আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানলাভ করা, তাঁর ওপর ইমান আনা এবং ইবাদতের পদ্ধতি ও গুরুত্ব সম্পর্কে জানা। যথাযথভাবে আল্লাহর ইবাদত করা এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনের ক্ষেত্রে ইসলামের বিধিবিধান মেনে চলার মাধ্যমে আল্লাহর সাথে বান্দার সুসম্পর্ক গড়ে উঠে। ছকে 'ক' 'দলের শিক্ষার্থীদের আলোচনায় এ বিষয়গুলোই ফুটে উঠেছে।

ইসলাম শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো ইসলামকে সঠিকভাবে জানা এবং বাস্তব জীবনে তা মেনে চলার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি সৃষ্টিকর্তা, রিজিকদাতা, আইন প্রণেতা এবং সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র সত্তা। তিনি অনাদি এবং অনন্ত। আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানলাভ এবং তার পূর্ণ আনুগত্যের শিক্ষা দেওয়াও ইসলাম শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের 'ক' দলের আলোচিত বিষয়গুলোর মাধ্যমে ইসলাম শিক্ষার ধর্মীয় উদ্দেশ্যগুলোই বোঝানো হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
387
উত্তরঃ

'খ' দলের আলোচনায় ইসলাম শিক্ষার দু'ধরনের উদ্দেশ্যের মধ্যকার সামাজিক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। আর আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে পৃথিবীতে মানুষের বিশেষ কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। ইসলাম শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ সেসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানলাভ করতে পারে। যা ছকের 'খ' দলের আলোচনায় ফুটে উঠেছে।

ইসলাম শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর দীন ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করা। তাছাড়া এ শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো- মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া, ভালো কাজের আদেশ দেওয়া এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখা। সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করা মুসলমানদের পবিত্র দায়িত্ব। এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, 'তোমরা উত্তম জাতি। মানুষের কল্যাণের জন্যই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ দেবে ও মন্দকাজে নিষেধ করবে' (সুরা আলে ইমরান: ১১০)। ইসলাম শিক্ষার অন্যতম সামাজিক উদ্দেশ্য হলো হালাল-হারাম সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানার্জন করা। এর ফলে ব্যক্তি হালাল উপার্জন করতে উৎসাহিত হবে এবং হারাম উপার্জন থেকে বিরত থাকবে। কেননা হালাল উপার্জন, ইবাদত কবুল হওয়ার প্রধান শর্ত। ইসলামের শিক্ষা সঠিকভাবে মেনে চলার মাধ্যমে পরকালীন মুক্তির পাশাপাশি দুনিয়ার জীবনেও কল্যাণ লাভ করা যায়।

উদ্দীপকের 'খ' দলের শিক্ষার্থীদের আলোচনায় উপরের বিষয়গুলোই ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, তাদের আলোচনায় ইসলাম শিক্ষার সামাজিক উদ্দেশ্যের প্রতিফলন ঘটেছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
428
উত্তরঃ

ইসলামি সংস্কৃতির উৎস হলো- কুরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াস।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.5k
উত্তরঃ

দুনিয়ার কল্যাণ ও আখিরাতের মুক্তির জন্য ইসলামে জ্ঞানার্জনের গুরুত্ব অপরিসীম।

ইসলামে জ্ঞানার্জনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রকৃত মানুষ ও পূর্ণাঙ্গ মুসলিম হওয়ার জন্য জ্ঞানার্জনের বিকল্প নেই। আল-কুরআনের বহু আয়াতে এবং রাসুলুল্লাহ (স)-এর বিভিন্ন হাদিসে জ্ঞানার্জনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলামের মৌলিক জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ। সৃষ্টির শুরুতে ফেরেশতাদের ওপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার মূলেও ছিল জ্ঞান। ইসলামের সঠিক জ্ঞানার্জনের মাধ্যমে ব্যক্তি নিজেকে পাপমুক্ত করে জান্নাতের উপযুক্ত করে গড়ে তোলে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
483
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews